লাল গোলাপ | পর্ব ৪০ | বসের অফিসে শীতলের সাথে অঘটন
শীতল রাজের অফিসে কাজ করতে এসে বিপদে পড়ে। রাজ তাকে ফাঁদে ফেলে এবং তার সাথে অসম্মানজনক আচরণ করে। শীতল চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
শীতল রাজের অফিসে কাজ করতে এসে বিপদে পড়ে। রাজ তাকে ফাঁদে ফেলে এবং তার সাথে অসম্মানজনক আচরণ করে। শীতল চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
শীতল কোরআন তেলওয়াত করছে। রাজ তার পিছনে বসে আছে। শীতলের আচরণে কিছু বোঝা যাচ্ছে না। রাজ শীতলকে লক্ষ্য করছে।
শীতলের সাথে কথা বলা দরকার। সমস্যা যেখানে সমাধানও সেখানে। শীতল রাজকে দেখলেই চিৎকার শুরু করছে হত্যাকারী, খুনী। এতোদিন রাজের মধ্যে যে আত্মহননের বিষয়টি ছিলো তা শীতলের মাঝে ঠাঁই পেয়েছে।
রাজের ভেতর আর্তনাদ শুরু হয়েছে। নিজেকে খুব অসহায় লাগছে তার জীবন হারিয়ে ফেলেছে সে। শীতল আগের মতো কোথাও চলে গেলো না। রাজ বাহিরে গিয়ে এদিকে ওদিক পাগলের মতো খুজতে লাগলো তার জীবন কে।
রাজের জ্ঞান ফিরে এসেছে, শীতল তার সুস্থতার খবর পেয়ে মেডিক্যালিতে ছুটে যায়। রাজের প্রথম কথা শীতলের পেটের বেড়ে যাওয়া নিয়ে।
রাজ শীতলকে কোলে নিয়ে দিঘির ঘাটে দাঁড়িয়ে আছে। শীতল রাজকে জড়িয়ে ধরে। রাজ শীতলকে পানিতে ফেলে দেয়।
রাজ শীতলের হাত শক্ত করে ধরে নিজের কোলে রেখে মলম লাগিয়ে দিচ্ছে। শীতলের চোখের ফোটা ফোটা পানি রাজের হাতে পড়ছে।
রাজের পাগলামি ও শীতলের দুঃখ। রাজ বাবা হতে চায়, কিন্তু শীতল এখনো প্রস্তুত নয়।
লালগোলাপ সিরিজের ১১+১২ পর্ব। অকৃতজ্ঞ অবিশ্বাসী কাফিররা বলে, ‘আমরা আল্লাহর ভালোবাসার পাত্র।’ শীতল রাজের জন্য নাশতা আনে, শাকিলা ও চাঁচির সাথে উত্তেজিত মুহূর্ত।
রাজ শীতল কে মেডিক্যাল থেকে নিয়ে এসে তার সেবা করতে থাকে। শীতলের শরীরে ফোসকা ও তার চিকিৎসার জন্য রাজ নিজের প্রাণের চেয়েও বেশি মনোযোগী।
শীতলকে মেডিক্যালে নেওয়া হয়েছে। রাজের অট্টহাসিতে শীতলের মুখ খানি ভেঙে পড়েছে। শীতলের পুরো শরীরে গরম পানিতে ছ্যাঁকা লেগে আছে।
রাজ শীতলকে জড়িয়ে ধরে এবং শীতল রাজকে কাঁদতে দেখে খুব কষ্ট পায়। রাজের অসুস্থতার কারণে শীতল তার সেবা করে।