লাল গোলাপ | পর্ব ৪৮-৪৯ | রাজের পরিবর্তন
রাজ শীতলের হাতে খাচ্ছে। শীতল রাজকে জোরে জোরে কামড় দিচ্ছে। শাকিলার হাই হিল চুরি নিয়ে ঝগড়া। ডক্টর রাজকে ইনজেকশন দিচ্ছে।
রাজ শীতলের হাতে খাচ্ছে। শীতল রাজকে জোরে জোরে কামড় দিচ্ছে। শাকিলার হাই হিল চুরি নিয়ে ঝগড়া। ডক্টর রাজকে ইনজেকশন দিচ্ছে।
রাজ অফিসে এসে সোফায় ঘুমুচ্ছিলো। শীতল বলল- এসব কি হচ্ছে? আমার জীবন অতিষ্ঠ বানিয়ে ফেলেছেন অফিস স্টাফরা। এরজন্য আপনি দায়ী!
রাজ শীতলের হিজাবে হাত দিয়ে গলায় কামড় বসিয়ে দেয়। শীতল রাজের আচরণে ভীতসন্ত্রস্ত। রাজ শীতলকে বাংলোয় পৌঁছে দেয়। শীতল রাতে ঘুমাতে পারে না। রাজও রাতে ঘুমাতে পারে না। রাজ শীতলের জানালা নিচে দাঁড়িয়ে থাকে।
রাজ হাসতে হাসতে ভেঙে পড়েছে। শীতল ভেবে পেলো না সে হাসির কি বলেছে। রাজের হাসির কারণে শীতলের মনে হয়েছে রাজ পাগল হয়ে গেছে।
রাজ এক মনে আল্লাহর এবাদত করে যাচ্ছে। সে ভরসা হারায়নি। স্ত্রী অভিমান করেছে। স্বামী হিসেবে ভালোবেসে সে অভিমান ভাঙিয়ে যাবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।
শীতল রাজের অফিসে কাজ করতে এসে বিপদে পড়ে। রাজ তাকে ফাঁদে ফেলে এবং তার সাথে অসম্মানজনক আচরণ করে। শীতল চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
শীতল কোরআন তেলওয়াত করছে। রাজ তার পিছনে বসে আছে। শীতলের আচরণে কিছু বোঝা যাচ্ছে না। রাজ শীতলকে লক্ষ্য করছে।
শীতলের সাথে কথা বলা দরকার। সমস্যা যেখানে সমাধানও সেখানে। শীতল রাজকে দেখলেই চিৎকার শুরু করছে হত্যাকারী, খুনী। এতোদিন রাজের মধ্যে যে আত্মহননের বিষয়টি ছিলো তা শীতলের মাঝে ঠাঁই পেয়েছে।
রাজের ভেতর আর্তনাদ শুরু হয়েছে। নিজেকে খুব অসহায় লাগছে তার জীবন হারিয়ে ফেলেছে সে। শীতল আগের মতো কোথাও চলে গেলো না। রাজ বাহিরে গিয়ে এদিকে ওদিক পাগলের মতো খুজতে লাগলো তার জীবন কে।
রাজের জন্য টিফিন নিয়ে অফিসে যায় শীতল, কিন্তু সেখানে শাকিলার উপস্থিতিতে রাজ তাকে চরম অপমান করে টিফিনবাক্সটি মেঝেতে ছুড়ে ফেলে দেয় এবং দূরে সরিয়ে দেয়।
রাজের জ্ঞান ফিরে এসেছে, শীতল তার সুস্থতার খবর পেয়ে মেডিক্যালিতে ছুটে যায়। রাজের প্রথম কথা শীতলের পেটের বেড়ে যাওয়া নিয়ে।
রাজ শীতলকে কোলে নিয়ে দিঘির ঘাটে দাঁড়িয়ে আছে। শীতল রাজকে জড়িয়ে ধরে। রাজ শীতলকে পানিতে ফেলে দেয়।