লাল গোলাপ | পর্ব ৪০ | বসের অফিসে শীতলের সাথে অঘটন
শীতল রাজের অফিসে কাজ করতে এসে বিপদে পড়ে। রাজ তাকে ফাঁদে ফেলে এবং তার সাথে অসম্মানজনক আচরণ করে। শীতল চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
শীতল রাজের অফিসে কাজ করতে এসে বিপদে পড়ে। রাজ তাকে ফাঁদে ফেলে এবং তার সাথে অসম্মানজনক আচরণ করে। শীতল চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
রাজ এক মনে আল্লাহর এবাদত করে যাচ্ছে। সে ভরসা হারায়নি। স্ত্রী অভিমান করেছে। স্বামী হিসেবে ভালোবেসে সে অভিমান ভাঙিয়ে যাবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।
রাজ হাসতে হাসতে ভেঙে পড়েছে। শীতল ভেবে পেলো না সে হাসির কি বলেছে। রাজের হাসির কারণে শীতলের মনে হয়েছে রাজ পাগল হয়ে গেছে।
রাজ ও শীতলের অফিসের খুনসুটি, অন্ধকারের রোমান্টিক মুহূর্ত এবং মাহবুবের প্রপোজাল। রাজ কি পারবে তার ক্রোধ সামলাতে? পড়ুন লাল গোলাপ এর ৪৪তম পর্ব।
রাজ শীতলের হিজাবে হাত দিয়ে গলায় কামড় বসিয়ে দেয়। শীতল রাজের আচরণে ভীতসন্ত্রস্ত। রাজ শীতলকে বাংলোয় পৌঁছে দেয়। শীতল রাতে ঘুমাতে পারে না। রাজও রাতে ঘুমাতে পারে না। রাজ শীতলের জানালা নিচে দাঁড়িয়ে থাকে।
রাজ অফিসে এসে সোফায় ঘুমুচ্ছিলো। শীতল বলল- এসব কি হচ্ছে? আমার জীবন অতিষ্ঠ বানিয়ে ফেলেছেন অফিস স্টাফরা। এরজন্য আপনি দায়ী!
রাজ শীতলের হাতে খাচ্ছে। শীতল রাজকে জোরে জোরে কামড় দিচ্ছে। শাকিলার হাই হিল চুরি নিয়ে ঝগড়া। ডক্টর রাজকে ইনজেকশন দিচ্ছে।
রাজ শীতলের প্রসব বেদনায় অস্থির। শীতলের চিৎকারে শোনা যাচ্ছে। রাজ নিজেকে ধরে রাখতে পারছে না। সে দরজা ভেঙে ফেলে এবং ভিতরে ঢুকে পড়ে। শীতলকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে রাজের বুক যেন চুরমার হয়ে যায়।
অপ্রত্যাশিত ধারাবাহিকের পর্ব ৫ ও ৬-এ আবিরের গোপন পরিকল্পনা ফাঁস হয়। মিতুর পলায়নের আসল রহস্য জেনে অবাক হয় পাখি। বাড়িতে একা থাকাকালীন লোডশেডিংয়ে শুরু হয় ভয়।