স্বপ্নের ক্রাশ | পর্ব ১৭ ও ১৮ | আহানের আসল পরিচয় ও নিহার ষড়যন্ত্র

অরনি জানতে পারে অহি আসলে আহান। অন্যদিকে নিহার ষড়যন্ত্রে আরোহি চরম অপমানের মুখে পড়ে, কিন্তু পাশে দাঁড়ায় অর্ণব। রহস্যময় মেসেজ ও কান্নায় ঘেরা এই পর্ব।

স্বপ্নের_crush ? (in reality)
Part-17+18
writer : Borno ☺
ছদ্দনামঃ Samiya Arohi
.
আহানঃ ( আমার হাতটা ছুটিয়ে নিলাম) আমি যেমন তোমার বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবো না আশা করি তুমিও আমার বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না ? আর আমি কি করবো না করবো তোমাকে না ভাবলেও চলবে ? [বলেই চলে আসলাম]

আরোহিঃ আমি কলেজে আর এক মুহূর্ত না থেকে বাসায় চলে আসলাম. রুম লক করে কান্না করতে শুরু করলাম
____________________
এদিকে অরনি আর অর্ণব,
অর্ণবঃ তোমার মন খারাপ কেন?
অরনিঃ জানো কালকে আপু অনেক কান্না করেছে

অর্ণবঃ কান্না করারই কথা।। কিন্তু তোমাকে অনেক টেনশড দেখাচ্ছে কেন?
অরনিঃ ওকে কালকের সব কথা বললাম। জানো আমার মনে হয় আপু ঐ অহিকে ভালোবাসে কিন্তু আহান ভাইয়ার কি হবে

এদিকে অরনির কথা শুনে অর্ণব হাসতে হাসতে শেষ ??????

অরনিঃ ঐ ঐ তুমি হাসো কেন? আমি তোমার সাথে আমাদের দুঃখ শেয়ার করলাম আর তুমি এভাবে হাসছো??

অর্ণবঃ আরে পাগলি,, এখন দেখছি তোমরা ২ বোনই পাগলী ??

অরনিঃ ? মোটেও না, তুমি পাগল। ঐ তুমি হাসা বন্ধ করে ঠিক করে কথা বলবা???

অর্ণবঃ আচ্ছা শোনো,, অহি আর কেউ না অহি হলো আহান
অরনিঃ ??? ক…ক..কিই আ….আ…আআ…আহান!!! মা….মানে তোত…তোমার ভা…ই ??

অর্ণবঃ জি, এটা তোমার বোন জানে না। ওকে ইচ্ছা করেই বলেনি। আহান চেয়েছে ট্রু লাভ, যে তার নাম, খ্যাতি দেখে তাকে ভালোবাসবে না। এখন যখন তোমার বোন অহিকে ভালোবেসে ফেলেছে তখন তো ভালোই হলো। আহান অলরেডি আরোহিকে ভালোবাসে। আর আমি তোমাকে। সো তুমি আহানের শালী। শালী মানে আমার ভাবীর অর্থাৎ আরোহির বোন। আর অন্যদিক দিয়ে তুমি আমার বউ। মানে আরোহি আমার বড় শালী। মেইবি বউদের বড় বোনকে বড় শালীই বলে তাই না। আচ্ছা তাদের আসলে কি বলে?? [ আমার কথা শেষ করে অরনির দিকে তাকালাম। ও মুখ হা করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে ]

অরনিঃ [ আমি ওর কথা শুনে থ,,, যার জন্য এতো প্লান করলাম তার তো অলরেডি সব সেট হয়ে আছে ?? তারউপর এই ছাগলটা কি কি যে বকলো, আমার মাথা আউলা ঝাওলা হয়ে গেছে ?? ]

অর্ণবঃ (ওর সামনে তুড়ি বাজিয়ে) ও হ্যালো কাহা খোয়ে হুয়ে হো???

অরনিঃ (চিন্তিত হয়ে) একটা কাজ করতে চাই তোমার সাথে, যদি তুমি পারমিশন দাও

অর্ণবঃ ? হোয়াট
অরনিঃ ডাইরেক্ট দেখাচ্ছি, ওয়েট ( বলেই ওর চুল ধরে টানতে লাগলাম)

অর্ণবঃ ও মা গো৷ কি ডাকু মেয়েরে বাবা,, আমার চুল গুলো সব গেলো,, থামো থামো ( কি ভাবছিলাম আর কি হয়ে গেলো) ?? আমার চুল গুলো শেষ করে দিলা ? (অনেক কষ্টে চুল ছাড়িয়ে নিয়ে) কেন করলে এমন??

অরনিঃ [ হাত ঝারতে ঝারতে ] ? তোমার তো আরও শাস্তি পাওয়া উচিত

অর্ণবঃ কেন কেন?

অরনিঃ আবার জিজ্ঞেস করছ কেন?? ? তোমরা ২ ভাই আমাদের কি পেয়েছো বলতো?? ফার্স্টে তুমি জানতে আমি ইচ্ছে করে সব করেছি তবুও আমাকে লজ্জায় ফেললে,, আবার যখন জানো যে আমার বোন আহানকে ভালোবাসে তখন কি করলে? ওর ভালোবাসার পরীক্ষা নিলে ?? এইবার তো জানলে আরোহি অহিকে ভালোবাসে, এবার যদি ২ ভাই মিলে আবার কোনো প্যাচ লাগাইছো?? তাহলে কাট্টি ?? তোমার খবর আছে

অর্ণবঃ (মাথা চুলকাতে চুলকাতে) কাট্টি মানে? ?

অরনিঃ কাট্টি মানে ব্রেকআপ ? এবার যেন ওদের মিল হয়ে যায় [নয়তো আমার রিডাররা আমাকে গিলে খাবে ?] ( বলেই চলে এলাম)

অর্ণবঃ আরেএএএ আরোহি শোনো তোওওওও…..
কিন্তু কে শোনে কার কথা। অরনি গট গট করে হেটে হেটে চলে গেলো

অর্ণবও অরনির কথাগুলো ভাবতে ভাবতে বাসায় চলে গেলো, অরনি অর্ণবের ডিসিশন ফাইনাল,, আরোহি আহানকে মিল করেই ছাড়বে
__________________________
অর্ণব বাসায় চলে গেলো,,,

অর্ণবঃ ( আহানের রুমে গিয়ে দেখি সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে রেখেছে) হেই আহান,, রুমের এ অবস্থা কেন ? ?
আহানঃ কিছু না

অর্ণবঃ আচ্ছা আরোহিকে বলেছিস সব? জানিস ও ও তোকে ভালোবাসে

আহানঃ ( হাতের কাছের ফুলদানি ছিল,, ওটা ছুড়ে ফেলে দিয়ে) কি আরোহি আরোহি আরোহি?? ওকে আমি কেন বলবো? ও বোঝে আমায়? একটুও বোঝে না। যদি আমায় ভালোবাসতো তাহলে আমাকে বুঝতো। আমায় বুঝলে আমাকে এসব কথা কখনোই বলতো না

অর্ণবঃ ? তোর হাত কাটলো কিভাবে? দেখি
আহানঃ ও কিছু না ( অর্ণব ব্যান্ডেজ করতে গেলেই হাত সরিয়ে নিলাম)

অর্ণবঃ খবরদার আহান, আমাকে আমার কাজ করতে দে। আগে ঠান্ডা হ ( ব্যান্ডেজ শেষ করে) এবার আমাকে বল কি হয়েছে

আহানঃ (অর্ণবকে জড়িয়ে ধরে কেদে দিলাম,, ওকে সব বললাম)

অর্ণবঃ [ আহানকে আমি লাইফে ২বার কাদতে দেখেছি। আজ হলো ৩য় বার। আহান কখনো আমায় মিথ্যা বলে না। কিন্তু আজ যা বললো বিশ্বাস করতে পারছি না। আরোহি এমন কেন করবে? কিন্তু এখন আগে আহানকে ঠান্ডা করি] আচ্ছা তুই এখন একটু রেষ্ট কর। আমি ফ্রেস হয়ে আসি
অর্ণব রুমে গিয়ে ফ্রেস হয়ে সব কথা বার বার ভাবতে থাকলো
___________________________
এদিকে অরনি,
অরনিঃ [রুমে গিয়ে দেখি আপু কান্না করে চোখ মুখ ফুলিয়ে রেখেছে,, আবার কি হল?? ?] এই আপু কি হয়েছে তোর? এভাবে চোখ মুখ ফোলা কেন?

আরোহিঃ যা তো বিরক্ত করিস না (বলেই রুম থেকে বেরিয়ে গেলাম)

অরনিঃ ?? ( আমাকে উল্টো রাগ দেখালো ?)
হঠাৎ অর্ণবের কল আসলো,
অরনিঃ হ্যালো
অর্ণবঃ তোমার বোনের কি মাথায় সমস্যা আছে?
অরনিঃ জানিনা, থাকতে পারে, কিন্তু কেন?
অর্ণবঃ (ওকে সব খুলে বললাম) এগুলোর মানে কি? আহান আজ অনেক কান্না করেছে। একটা ছেলে এতো সহজে কাদেনা। আর আহান তো আরও কম কাদে
অরনিঃ ? জানো আপু একটু আগেও কান্না করছিলো। চোখ মুখ ফুলে শেষ। কিছু বুঝতে পারছি না৷ কিছু তো একটা হয়েছে ?
অর্ণবঃ হুম, না ঘুমিয়ে সেটাই খুজে বের কর
অরনিঃ ঐ ঐ আমি কখন ঘুমালাম? আমি মোটেও বেশি ঘুমাই না
অর্ণবঃ হুহ বললেই হলো?? কুম্ভকর্ণ
অরনিঃ কিহহহহহহ ?????? যদি আমার সামনে থাকতে নাাা ??
অর্ণবঃ ভাগ্যিস নাই ??
অরনিঃ হুহ ( কল কেটে দিলাম) রুম থেকে বের হবো (তখনই আপুর ফোনে একটা ম্যাসেজ এলো,,, ম্যেসেজটা দেখলাম) এটা আবার কে? এই সময় এমন ম্যাসেজ!!! ??
তখনই আরোহি রুমে ঢুকে,
অরনিঃ আপু এটা কে? এই ম্যাসেজের অর্থ কি?
আরোহিঃ ???
.
to be continued………. ❤

স্বপ্নের_crush ? (in reality)
Part-18
writer : Borno ☺
ছদ্দনামঃ Samiya Arohi
.
তখনই আরোহি রুমে ঢুকে,
অরনিঃ আপু এটা কে? এই ম্যাসেজের অর্থ কি?
আরোহিঃ ??? ( এখন কি বলি ?) না…..ন..না ক…কই কিচ্ছু ন..না তো আর তু.তুই আমার ফোন ধরেছিস কেন? ( বলেই ওর হাত থেকে ফোনটা কেড়ে নিলাম)
অরনিঃ ?? ( দাল ম্যে কুছ কালা জারুর হ্যায় ?) আমার বয়েই গেছে তোর ফোন ধরতে,, হুহ ( একটা ভেংচি কেটে চলে আসলাম)
আরোহি একটা প্রশান্তির নিঃশ্বাস ফেললো
_______________________
পরের দিন সকালে আরোহির কলেজে,
আরোহিঃ ( আজ কলেজে এসেই দেখি অহি আর নিহা একসাথে।) ওহ তাহলে সব ঠিক আছে ওদের। আমার জন্যই শুধু শুধু এতো দূরত্ব ছিলো ওদের মধ্যে ?
আহান একবার আরোহির দিকে তাকালো। আরোহি আহানের দিকে তাকাতেই আহান মুখ ঘুরিয়ে নিলো।

কলেজে ক্লাস শেষে আরোহি ক্যান্টিনে যায়, ক্যান্টিনে আগে থেকেই আহান নিহা আর আহানের ফ্রেন্ডরা ছিলো। অর্ণবও ছিলো। সবাই কথা বললেও আহান চুপ ছিলো। নিহা আরোহিকে দেখতে পেয়ে আরোহিকে শুনিয়ে আহানের সাথে কথা বলতে শুরু করে,
নিহাঃ [ আহানের হাত জাপটে ধরে] আহু বেবি,, তুমি আমাকে কতোটা ভালোবাসো?

আহানঃ ( আরোহিকে দেখেই আমি নিহার সাথে কথা বলা শুরু করে দিই) তা কি ভাষায় প্রকাশ করতে হবে?

নিহাঃ অউউউউ ??? তুমি আমার জন্য কি কি করতে পারবে বেবি?

আহানঃ ( আরোহির দিকে তাকিয়ে) একবার ভালোবেসে মুখ ফুটে যা চাইবে সব দিবো

নিহাঃ অউউউ বেবি লাভ ইউ সো মাচ ( আরোহি এইবার দেখো আমি কি করি, এখন তো আহানও আমার সাথে আছে ?)

আরোহি ওদের একসাথে দেখে সহ্য করতে না পেরে ওখান থেকে চলে যেতে নেয়। নিহা ওর এক ফ্রেন্ডকে ইশারা করতেই সে আরোহির পায়ে পা বাধিয়ে ফেলে দেয়। তখন আরোহির হাতে থাকা জুস নিহার পায়ে পড়ে যায়

নিহাঃ আআআআআআআআআআ হোয়াট দ্যা হেল ইজ দিস? এই মেয়ে আর ইউ ব্লাইন্ড? দেখে চলতে পারো না? আমার এতো দামী সু টা নষ্ট করে দিলা। এক্ষুনি পরিষ্কার করে দাও

আরোহিঃ সরি, আসলে আমি বুঝতে পারিনি

নিহাঃ কি বুঝতে পারোনি? এক্ষুনি পরিষ্কার করে দাও

আরোহিঃ আমি তোমার পায়ে হাত দিবো ??

নিহাঃ ইয়েস,, তাড়াতাড়ি
আরোহি আহানের দিকে তাকাতেই আহান কিছু বলতে যাবে তখনি
নিহাঃ বেবি তুমিই বলো ও তো দোষ করেছে, তাহলে কি ওর পানিশমেণ্ট পাওয়া উচিত না? পানিশমেন্ট না পেয়ে পেয়ে সবাইকে অনেক কষ্ট দিয়েছে, যেমন আমার প্রিয় সু টা নষ্ট করে

নিহার কথা গুলো শুনে আহানের সে দিনের কথা মনে পড়ে গেলো,, মনে পড়ে গেলো একটা মেয়ের কাছে কতবার রিজেক্ট হয়েছে। রাগে অভিমানে চুপ করে বসে থাকে। কাজটা করার কথা বলতে পারবে না তাই কিছু বলে না

নিহাঃ কি হলো? বসে আছো কেন? আর আহুর দিকে কি দেখো? ও আমার জন্য সব করতে পারে একটু আগেই তো বললো। এখন তাড়াতাড়ি পরিষ্কার করো

আরোহিঃ ( আমি অহির দিকে তাকালাম, আচ্ছা ও কি আমাকে এগুলো করতে বাধা দিবে না? আমাকে এখন এতোটা ঘৃণা করে? করারই কথা। আমি ওকে এতো অপমান করেছি,, চোখ থেকে কয়েক ফোটা জল পড়লো) আমি জুস ক্লিন করার জন্য টিস্যু হাতে নিলাম

আহানঃ[ না আমি এটা দেখতে পারবো না, তাই ওখান থেকে উঠে বাহিরে চলে গেলাম]

আরোহিঃ জুস পরিষ্কার করতে যাবো আর কেউ একজন আমার হাত ধরে নিলো

অর্ণবঃ [ আমার কল আসায় বাহিরে গেছিলাম, ভেতরে এসে দেখি আরোহি নিহার পায়ে হাত দিতে যাচ্ছে তাই ওর হাতটা ধরে নিলাম] কি হচ্ছে এখানে? আর অহি কই? ও থাকলে এগুলো হতে দিতো না

নিহাঃ [ শুভ কাজে এতো বাধা আসে কেন ??] ও আমার এতো দামী সু নষ্ট করে দিয়েছে তাই পরিষ্কার করে দিচ্ছে। আর আহু পারমিশন দিয়েছে ?

অর্ণবঃ স্ট্রেঞ্জ… আর সু পড়ে বের হলে তো কখনো না কখনো নষ্ট হবেই। নষ্ট না করতে চাইলে এরপর থেকে আর দামী সু পড়ে আসবি না। আর মানুষ মাত্রই ভুল হয়। তাই বলে তুই কাউকে তোর পা ছুতে বাধ্য করতে পারিস না। মানুষকে সম্মান করা শিখ [ বলেই আরোহির হাত ধরে টেনে বাহিরে নিয়ে এলাম]

নিহাঃ ?? এতো বড় সাহস। এই সামান্য মেয়েটার জন্য আমাকে আজ এতো কথা শুনতে হচ্ছে ? দেখে নিবো

অর্ণবঃ [ আরোহি এখনও কেদেই যাচ্ছে] কান্না বন্ধ করো। আর বাসায় যাও

আরোহিঃ থ্যাংকস [ কোনো মতে থ্যাংকস বলেই চলে এলাম ]

অর্ণবঃ [ আহানের কাছে গেলাম] আহান এগুলো কি শুনছি? ওরা একটা মেয়েকে ইনসাল্ট করছে আর তুই চুপ করে আছিস ?

আহানঃ নিশ্চুপ….

অর্ণবঃ একি তোর চোখে আবার পানি কেন??

আহানঃ [ অর্ণবকে সব খুলে বললাম ]

অর্ণবঃ হোয়াট!!!! ও তোকে এগুলো বলেছে!! [ আমার মাথায় কিছু ঢুকছে না। এই দুই বোনের মাথায় কোনো প্রব্লেম আছে নাকি ?? ] আচ্ছা আমি দেখছি। তুই মন খারাপ করিস না

আহানঃ আমি মনে হয় আজ অনেক খারাপ কাজ করে ফেলেছি, ওকে এভাবে অপমানটা না করলেও পারতাম [ হাজার হোক ভালোবাসে তো, তাই অন্যের অপমানটা সহ্য করতে পারে না]

অর্ণবঃ কিচ্ছু হয় নি,, আমি সব সামলে নিয়েছি
আহানঃ থ্যাংকস রে
অর্ণবঃ এইসব বাদ দে,, চল আজ দুজন মিলে অনেক ঘুরবো আগের মতো
আহানঃ ? হুম চল
_________________________
আরোহি বাসায় এসে কান্না করতে থাকে তা দেখে অরনি আরোহির রুমে আসে,
অরনিঃ আপু দেখ তুই এখনও আমাকে অনেক কিছু বলিস নি এটা বুঝতে পারছি। আমাকে বল কিছু করতে না পারি তোর মনটা একটু হালকা হবে,

আরোহিঃ [অরনিকে ধরে কেদে দিলাম,, সব বললাম আমি কি কি করেছি ]

অরনিঃ আপু আর ইউ mad?? কি করেছিস তুই আর কেন?
আরোহিঃ আমি এমন না করলে যে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেত রে?
অরনিঃ মানে?
…
to be continue…. ?

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।